আত্মিক শূন্যতা ও ধর্মহীন মনুষ্যত্ব

আত্মিক শূন্যতা ও ধর্মহীন মনুষ্যত্ব

আত্মিক শূন্যতা ও ধর্মহীন মনুষ্যত্ব

 আত্মিক শূন্যতা ও ধর্মহীন মনুষ্যত্ব

টেম্পল আছে, মসজিদ আছে, হৃদয়ে শূন্যতা,
ধর্মের শব্দ বাজে, কিন্তু কোথায় মানবতা?
পবিত্রতা মুখে, তলোয়ার হাতে জাগে,
কিন্তু করুণার স্পর্শ কই— অন্তরে কাঁদে ভাগে?
ধর্ম নয়, অহংকারই আজ ইবাদতের মুখ,
যেখানে ক্ষুধার্ত মরে, কিন্তু ওয়াজ চলে সুখ।
কত রোজা রাখা হয়, তবু গরিবকে ছোঁয়া না যায়,
এই দ্বিচারিতায় কি ঈশ্বর সত্যিই খুশি হায়?
চার্চে বেজে ওঠে গান, তবু সামান্য দয়া নেই,
প্রার্থনায় নেই কর্ম— কেবল শ্লোগানের ঢেই।
নামাজ পড়ে, কিন্তু গৃহহীন পাশেই পড়ে,
তবু কেউ বলে না— “চলো ভাগ করি, অন্তত সাহস ধরি।”
ধর্ম মানে যদি হিংসা, তবে ঈশ্বর হারান,
কারণ ধর্ম মানে ছিল প্রেম, যে আজ ব্যাখ্যায় হারান।
শূন্যতা আসে যখন ঈশ্বর হয় পোস্টার,
হৃদয় হয় কাঠ— তাতে জাগে না ভালোবাসার সুরধার।
তাই বলি— ধর্মের মানে হোক মনুষ্যত্ব,
কারণ ঈশ্বরও ভালোবাসেন প্রেমের কথামৃত।
নয় বর্ণ, নয় রীতি, নয় পোশাক বা উচ্চারণ,
মানুষ হোক প্রথম পরিচয়— ধর্ম থাকুক তার প্রাণে।
---