আফ্রিকার শিশুসৈন্য ও খরা-দারিদ্র্য
আফ্রিকার শিশুসৈন্য ও খরা-দারিদ্র্য
আফ্রিকার শিশুসৈন্য ও খরা-দারিদ্র্য
ছেলেটি হাতে রাইফেল, বয়স তার নয়,
একটি পুতুলের বদলে পায় রক্তের পরিচয়।
লর্ড আর্মি বলে, "তুই এখন সৈন্য ভাই",
ভবিষ্যতের বদলে পায় হত্যা শেখার দায়।
যে পায়ে দৌড়াতো স্কুলে, চলে এখন খনি পথে,
পড়ার বই নয়, হাতে বন্দুক— আঁধারের স্রোতে।
সাহেল অঞ্চলে ক্ষুধা হাহাকার তুলে,
মায়ের বুক শূন্য হয়, শিশু কাঁদে ধূলিমূলে।
খরায় পুড়ে যায় মাঠ, হাড়ে বাজে কান্না,
সেই ছবিতে চলে উন্নয়ন বিশ্বের ব্যবসা-বাণা।
জাতিসংঘ রিপোর্ট লেখে, কাগজে নীতির বুলি,
কিন্তু ক্ষুধার্ত শিশু চায় শুধু এক থালা ভাত, হুলি।
পানির জন্য শিশু হেঁটে পাঁচ মাইল দৈনিক,
তবু শিশুশ্রমে বাঁচে মাল্টিন্যাশনাল কারখানিক।
কে বলবে এগুলো যুদ্ধ নয়? এটা বিশ্ব লজ্জা,
বিলাসের পেছনে দাঁড়িয়ে রক্তের বাজার খোঁজা।
তবু গান শোনে আফ্রিকা, ডুগডুগির ছন্দে,
আলোকের শিশুরা গাইবে— মানবতা ফিরবে বন্ধে।
আফ্রিকা আজও শিখায়— ব্যথা হোক শক্তি,
আলোক এলে একদিন পুড়বে না আর ভিখারি মুষ্টি।