অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ-তুভালু
অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ-তুভালু
অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ-তুভালু
সমুদ্র ধীরে গিলে খায় উপকূলের ঘর,
ভবিষ্যত শহর ভেসে যাবে, নেই কোনো ভর।
বাংলার দক্ষিণে জল ঢোকে প্রতিদিন,
চাষির বুক ফেটে যায়— নেই কৃষি, নেই অধিন।
মালদ্বীপের সৈকত আজ হাঁপিয়ে ওঠে,
বিয়ের রিসোর্টে মৃত্যু দেখে ভেসে ভেসে।
তুভালু ছোট, কিন্তু ব্যথা গভীর জলে,
মানচিত্রে মুছে যাবে যদি না পৃথিবী দলে।
“আমরা কি মানুষ নই?”— প্রশ্ন তাদের কণ্ঠে,
উত্তরে আসে নীরবতা, সভ্যতার অন্তে।
জলবায়ু চুক্তি হয়, ছবি তোলে কিছু নেতা,
কিন্তু বাস্তব পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে খেতা।
এই মৃত্যু ধীরে ধীরে, চোখে পড়ে না বিশ্বে,
নতুন রিসোর্ট গড়ে ওঠে, পুরনো গ্রাম বিষে।
জলবায়ু উদ্বাস্তু মানে নতুন এক জাতি,
যাদের পরিচয় শুধু: “যেখানে বাড়ি ছিল না পাতি।”
এই দ্বীপগুলো সতর্কতা— যেন এক আয়না,
তাদের ডুবে যাওয়াই আমাদের ভবিষ্যতের ছায়া।
বাংলাদেশ, তুভালু, মালদ্বীপের কান্না,
গ্লোবাল ক্ষুধা নিবারণে চাই না আর ছলনা।