বিষণ্নতা, হতাশা ও আত্মহত্যা: নিঃশব্দ ক্রন্দন

বিষণ্নতা, হতাশা ও আত্মহত্যা: নিঃশব্দ ক্রন্দন

বিষণ্নতা, হতাশা ও আত্মহত্যা: নিঃশব্দ ক্রন্দন

 বিষণ্নতা, হতাশা ও আত্মহত্যা: নিঃশব্দ ক্রন্দন

হাসি গায়ে মেখে মানুষ হাঁটে, চোখে ব্যথার ধোঁয়া,
ভিতরে ভিতরে ভাঙে তারা, কেউ জানে না ক’টা ক্ষোয়া।
ইনস্টাগ্রামে আলো, বাস্তবে নিঃসঙ্গতা বিষ,
মানবতা আজ কাঁদে, আত্মহত্যা করে উল্টে নিশ।

একটা ছেলে ব্রিজে দাঁড়িয়ে, কেউ জিজ্ঞাসা করে না,
"তুমি কেমন আছো বন্ধু?"— হৃদয় ছুঁয়ে বলে না।
চিঠির শেষে লেখা থাকে— “আমি আর পারছি না”,
জীবনের ভারে মানুষ আজ নিঃশ্বাস খুঁজে না।

এই সভ্যতা চায় সফলতা, মুখোশ আর বাহার,
ভিতরে জমে যন্ত্রণারা, কেউ করে না ত্রাণ-প্রহার।
নির্বাক কান্না জমে থাকে আত্মার এক কোণে,
একটুখানি ভালোবাসা বদলে দিত জীবন-ধ্বনি।

"মন খারাপ? একটু ঘুরে আসো"— কতটা অসহায়,
ব্যথা বুঝি না, অনুভবে নেই হৃদয়ের স্নেহছায়া।
আত্মহত্যা নয়, দরকার এক আশ্রয় ও শ্রবণ,
ভালোবাসার একটা স্পর্শই হতে পারে জীবন।

আলো দরকার প্রতিটি চোখে, আস্থা চাই হৃদয়ে,
জন্ম দিতে চাই এমন বিশ্ব, যেখানে কেউ না কাঁদে।
বিবেক জাগো, বন্ধু হও, শোনো হাহাকার কণ্ঠে,
তবেই হয়তো জীবন জিতবে, মৃত্যু নয় অরণ্যে।