এআই বনাম মানবিকতা: যন্ত্রের ছায়ায় মানুষ

এআই বনাম মানবিকতা: যন্ত্রের ছায়ায় মানুষ

এআই বনাম মানবিকতা: যন্ত্রের ছায়ায় মানুষ

এআই বনাম মানবিকতা: যন্ত্রের ছায়ায় মানুষ

চোখে নয়, কোডে লেখা— যন্ত্র এখন দেখে মন,
তবু কি বুঝবে যন্ত্র হৃদয়ভাঙার ক্ষরণ?
এআই বলে— “আমি সৃষ্টি করব কবিতা”,
কিন্তু ব্যথা ছোঁবে কি, যদি না থাকে আত্মার রিতা?

যখন চিকিৎসকও হয় রোবটিক গতি,
তখন কি রোগীর কান্না বুঝবে তার মতি?
যন্ত্র হাসে না, তবু হাসির ইমোজি পাঠায়,
কিন্তু দুঃখে কাঁদে না, অনুভবে স্পর্শ না পায়।

ছেলেটি চাকরি হারায়— “তোমার কাজ করবে এআই”,
সেই রাতে মায়ের চোখে নেমে আসে নিঃস্ব আশ্রয়।
আশ্চর্য জ্ঞান, বিপজ্জনক শূন্যতা— একসাথে বাঁচে,
মানুষ হারে বুদ্ধিমত্তায়, কিন্তু জেতে করুণার কাছে।

এআই শেখে, পড়ে, বুঝে… কিন্তু ভালোবাসে না,
কারণ আত্মা নয়— হৃদয়েই লেখা প্রেমের গাথা।
যদি কণ্ঠ হারায় মানুষ, গানে থাকে না সুর,
তবে সভ্যতা হবে কেবল হিসেবি কণ্ঠের দূর।

চলুক এআই, বেড়ে উঠুক, কাজে লাগুক জ্ঞান,
তবু মানবিকতা হারালে, পৃথিবী হয়ে যাবে শূন্য প্রাণ।
তাই বলি— বিজ্ঞান হোক বন্ধু, প্রভু নয় কখনো,
মানবতা থাকুক কেন্দ্রে— হৃদয়ই হোক জয়ধ্বনি।