বর্ণবাদ ও অভিবাসী ঘৃণা

বর্ণবাদ ও অভিবাসী ঘৃণা

বর্ণবাদ ও অভিবাসী ঘৃণা

 বর্ণবাদ ও অভিবাসী ঘৃণা

তোমার চামড়ার রঙ বলে “তুমি অপর”,
তোমার উচ্চারণ শোনে, ঠেলে দেয় নীচু ঘর।
আভিজাত্য মানে সাদা নয়, তবু ঘৃণা বহে,
অভিবাসী মানেই ভীরু, এই ধারণা কে কবে বলে?
তারা গড়তে আসে বাড়ি, রাস্তায় দেয় ঘাম,
কিন্তু আইন বলে— “তুমি এখানে নয়, ওখানে থাক সাম।”
একটি পাসপোর্টের পেছনে হারায় পরিচয়,
মানবতা কি আজ কেবল বর্ডার চেকের শ্লোগান ভাই?
বর্ণবাদ মানে শুধু গালি নয়, কাজের দেয়াল,
যেখানে কৃষ্ণকায় কর্মী কাজ পায় না, নয় তাও খেয়াল।
ইউরোপে স্বপ্ন নিয়ে আসে যারা যুদ্ধ থেকে,
তাদের ফেরানো হয় নৌকার গর্তে, অন্ধকারে চিরশ্রদ্ধেয়।
এই পৃথিবী কার? কেবল সাদা জাতির?
তবে কেন রক্তে লেখা ইতিহাসে আছে তাদের মাতৃগীতির?
কবি বলে— অভিবাসী মানে সাহসী, নয় চোর,
তাদের জীবন তো আজও বেঁচে থাকার এক মহাসমর।
বর্ণ নয়, বরং মূল্য হোক কাজের দামে,
আর পৃথিবী হোক সবার— ভালোবাসার নামে।
এই সভ্যতা জাগুক, ঘৃণার আঁধার হোক দূর,
তবেই রঙের বাইরে মিলবে মানুষের আসল সূর।