রোহিঙ্গা: রাষ্ট্রহীন রক্তবর্ণ পরিচয়
রোহিঙ্গা: রাষ্ট্রহীন রক্তবর্ণ পরিচয়
. রোহিঙ্গা: রাষ্ট্রহীন রক্তবর্ণ পরিচয়
নাফ নদী জানে— কত কান্না গিয়েছে ভেসে,
রোহিঙ্গার শরীর পুড়ে, অস্তিত্ব নিঃশেষে।
যেখানে ঘর ছিল, আজ সেখানে অগ্নিকুণ্ড,
চোখের সামনে হারায় সন্তান, কোনো গন্ধ নেই সুগন্ধ।
"তুমি কোন দেশের নাগরিক?" প্রশ্নটা বিষাক্ত,
যখন এক জাতি হয় ভূখণ্ডে রাষ্ট্রহীন, অস্বীকারিত।
আদর্শ কি ধর্ম নয়? না কি কেবল সংখ্যাবল?
যেখানে সংখ্যায় মিশে যায় অস্তিত্বের টলমল জল।
মিয়ানমারের বাঘা সৈন্য বলে— "তুমি নাই,"
আর লাশগুলো সাজিয়ে রাখে মানবতা যে কোথায়।
শরণার্থী ক্যাম্প নয়, ওটা ভাঙা স্বপ্নের ঘর,
যেখানে শিশুরা বড় হয় গ্লানির অসার চোরাবালিতে।
বিশ্ব সভ্যতা কেবল রিপোর্ট করে, কিছু নয় বাঁচায়,
বিবেক আর মানবাধিকার আজ শুধু ডকুমেন্ট সাজায়।
বেঁচে আছে তারা, তবু মরেছে তাদের নাম,
শিশুদের জন্মে কোনো পতাকা নেই, নেই কোনো মান।
কোন খাতা লিখে রাখে তাদের ব্যথার অক্ষর?
রোহিঙ্গা নামটা যেন বিবেকের লজ্জাজনক চিহ্নর।
তবু তারা হেঁটে চলে আলোর দিকে নীরবে,
জানেনা কতদূর, তবু আশা হৃদয়ের ভিতরে।