ঈশ্বরের নীরবতা: যুদ্ধের সময় প্রার্থনা

ঈশ্বরের নীরবতা: যুদ্ধের সময় প্রার্থনা

ঈশ্বরের নীরবতা: যুদ্ধের সময় প্রার্থনা

শ্বরের নীরবতা: যুদ্ধের সময় প্রার্থনা

বোমা পড়ে, আকাশ কাঁপে— শিশু বলে, “আল্লাহ আছো?”
মায়ের কোল নেই, তবু সে চায় ঈশ্বরের আশ্বাস তো।
গীর্জার ভিতর দগ্ধ লাশ, গজর গেয়ে মরে,
তবু যাজক হাঁটু গেড়ে বলে— “তুমি ছাড়া কেহ নরে।”
যখন মন্দির জ্বলছে, জপমালা ছিন্ন হয়ে যায়,
তখনও কণ্ঠে ধ্বনি উঠে— “তুমি কি সত্যই খেয়াল করো হায়?”
ঈশ্বর হয়তো দেখছেন, হয়তো শুধু নীরব,
তাঁর নীরবতা কি পরীক্ষা, না মানুষেরই গ্লানির ক্রম?
প্রার্থনা ওঠে গাজার ছাদে, সিরিয়ার ধ্বংসে,
কিন্তু উত্তর আসে না— কেবল ধোঁয়ার নরকে।
মুসলিম, খ্রিস্টান, ইহুদি— সবাই কাঁদে,
তবু ঈশ্বর কেন চুপ? উত্তর আজও বাঁধে।
ধর্ম নয়, অস্ত্রের নামে চলেছে পৃথিবীর পিশাচ,
সেই ভয়ের মাঝে শিশুরা খোঁজে স্বর্গের মুখচ্ছবি কিছু আঁচ।
ঈশ্বর তুমি যদি থেকেও চুপ থাকো,
তবে তোমার নামে আর কত রক্ত ঢালবো মাকো?
তবু কবি বলে— ঈশ্বরের নীরবতা নয় পরাজয়,
মানুষের নৈতিকতা হারানোয় হয় ঈশ্বর নির্বাকস্বর।
এই প্রার্থনা শুধু বাঁচার, নয় প্রতিশোধের,
মানবতা যেন ফিরিয়ে আনে ঈশ্বরের প্রকৃত সঙ্গপথের।