কঙ্গোর কান্না
কঙ্গোর কান্না
কঙ্গোর কান্না
জলে নয়, কঙ্গোর মাটি রক্তে ভিজে থাকে,
খনিজের লোভে শিশুরা বন্দুক হাতে থাকে।
সোনার খনি নয়, কবরের উপরে রাজনীতি,
কোনো রাষ্ট্রের নয় তারা, কেবল
খনি-মৃত্যু।
বর্ণবাদের ছায়া আজও ছড়ায় গভীর রাতে,
বেলজিয়ামের ছুরিটা গাঁথা কালো হৃদপাতে।
স্কুল নয়, বন্দুক ধরে দশ বছরের ছেলে,
জিজ্ঞেস করে না কেউ—সে কোথা থেকে এলে।
মা কাঁদে তার কোল খালি,
ভাই হারিয়ে গেছে,
নৃশংস এক পৃথিবী যেন লাল আগুন বেছে।
কোবাল্ট আর কল্টানের দাম কত মানুষের রক্ত,
আমরা প্রযুক্তি কিনি, ওরা বিকোয় শরীর,
শক্ত।
এইতো সেই আফ্রিকা,
সভ্যতার প্রাচীন ঘর,
এখন শুধু ছিন্ন চিঠি আর প্রার্থনার স্বর।
জাতিসংঘ কাঁদে শুধু, কিন্তু কিছু করে না,
শান্তি বাহিনী আসে, কিন্তু যুদ্ধ ফিরে
না।
যদি কবিতা পারে আজ কাঁপাতে পাথর,
তবে লিখো—এই শিশুরা চায় কেবল জীবন, ও সাহার।
এই জনপদ চায় আলো, বারুদের ছায়া নয়,
মানবতা ফিরুক কঙ্গোতে, মৃত্যু নয়,
পরিচয়।
