পম্পেই: ছাইয়ের নিচে জীবনের ছায়া

পম্পেই: ছাইয়ের নিচে জীবনের ছায়া

পম্পেই: ছাইয়ের নিচে জীবনের ছায়া

পম্পেই: ছাইয়ের নিচে জীবনের ছায়া

ভিসুভিয়াস থেমে ছিল না, একদিন সে জেগে ওঠে,
ছাইয়ে ঢেকে ফেলে সব— প্রেম, পাপ, রোদ্দুর, রথে।
নাগরিকেরা ব্যস্ত ছিল, গ্রীক বাথঘরে ঘেমে,
কেউ জানতো না কতটা নিকটে সময় থেমে।

পাথরে মোড়া মুখগুলো আজও কথা বলে,
ভূমিকম্প নয়, জীবনের ঔদ্ধত্যই কাহিনি লেখে।
মন্দির ছিল, ব্যাকচ্যানে নাচছিল শিল্প, শরাব, গান,
নগ্নতার মাঝে ভাঙন, হঠাৎ নিঃশব্দে ক্ষয় প্রাণ।

পম্পেই এক আকাশ ছুঁতে চাওয়া মনুষ্য কাব্য,
যার পরিণাম ইতিহাসে এক বিস্ময়াবিষ্ট অভিজ্ঞতা।
কে জানে ছাইয়ে চাপা সেই প্রেমিকা বলে কী?
"আমরা ভালোবাসিনি— সময়কে, শুধু নিজেকেই"।

আধুনিক মানুষ দেখি আয়নার মাঝে দাঁড়িয়ে,
পম্পেই-এর ভুল আজও কি করি আমরা গড়ে নিয়ে?
পাথরভর্তি জাদুঘরে বন্দী শত শত হাসি,
নিয়তির কাছে কেমন অসহায়, অভিজাত নগরবাসী।

পম্পেই শুধু শহর নয়, এক বার্তা চিরন্তন,
যে অহংকারে চড়েছি, তারই ধ্বংস অনিবার্য পতন।
ভিসুভিয়াস জাগে আবার আত্মায়— না আগুনে,
প্রতিটি সভ্যতা ঝুঁকে পড়ে নিজের মূর্খ গুনে।