দুই যুদ্ধের মাঝে
দুই যুদ্ধের মাঝে
দুই যুদ্ধের মাঝে
বাঁশির সুরে যুদ্ধ আসে না,
আসে ঘোষণা চিঠি,
ঘুম ভাঙে যখন আকাশে গর্জে রকেটের সিঁড়ি।
ইরান জানে, ইজরায়েলও জানে—কে কোথায় দাঁড়ায়,
কিন্তু কে জানে—বাচ্চাটা কোন কোণে লুকায়?
মসজিদ, গির্জা, শিয়া, সুন্নি—সব বিভাজনের দেয়াল,
তার নিচে পড়ে থাকে শুধু নিথর মানবজাল।
ড্রোনের নিচে কাঁপে রাত, শিশুরা খোঁজে
মা,
জেনারেলরা হাঁটে গর্বে, যারা পুড়ায়
ঘর-বাড়ি-ছা।
তেল-গ্যাস-পরমাণু—এই খেলায় কারা জিতছে?
আসলে মরছে সে, যে খেলাটাই বুঝে উঠছে না।
একদিন ইরান ছিল কবিতা, ইজরায়েল ছিল ছায়া,
আজ উভয়ের বুকে বিষ আর ভয় জড়ানো আয়না।
তাদের জিজ্ঞাসা কেউ করে না—"তুমি বাঁচতে
চাও?"
সিরাজ বা হাইফার ঘরে এখন নিঃশ্বাসও চাও।
মসনদের নিচে থামে মৃত্যু, ক্ষমতা জানে
না থামা,
ধর্ম দিয়ে ঢেকে ফেলে যে রাজনীতির ডামা।
শান্তির কথা বলে যারা,
সবার হাতেই বোমা,
মুখে ‘ঈশ্বর’, হাতে
আগুন, বুক জুড়ে কেবল খামা।
কবিতায় যদি যুদ্ধ থামে, চোখে আসে
ধ্রুবতা,
তবে লিখো—মানুষ হোক মানুষ, ধর্ম নয় পরিচয়টা।
