ভালোবাসাহীন সাফল্য ও আত্মহত্যা
ভালোবাসাহীন সাফল্য ও আত্মহত্যা
ভালোবাসাহীন সাফল্য ও আত্মহত্যা
সে ছিল CEO— অফিসে হাততালি পেতো,
কিন্তু রাতে একা কাঁদত, “আমার কেউ নেই তো!”
গাড়ি আছে, ঘড়ি আছে, অ্যাওয়ার্ডের র্যাক ভরা,
কিন্তু হৃদয়ের ঘরে খালি— কেউ বলে না “আসো না, দোস্তরা”।
কখনো এক টেবিলে বসে খেতো সবাই,
আজ খাবার রুমে শুধু সুনসান এক সাই।
কাজের জন্য সময় দেয়, জীবনের জন্য না,
এই ব্যস্ততায় মানুষ হয় যন্ত্র— দয়াহীন কাটা।
প্রেম ছিল এক সময়, হারিয়ে গেছে কাজে,
“তোমার সময় কই?”— প্রশ্ন শুনে চুপ করে মাঝে।
তার ফেসবুকে লাইক হাজার, ইনস্টা-স্টোরিতে হাসি,
কিন্তু বাস্তব কফির মগে জমে নিঃসঙ্গতা চাশি।
একদিন সে চিঠি লিখে— “থেমে যাচ্ছি, মা,”
এতো সফল হয়ে কী লাভ, যদি না পাই ভালোবাসা?
আমরা বলি— “ও অনেক ব্যস্ত”, তাই জিজ্ঞেস করি না,
তবু এক টুকরো কথা হয়তো বাঁচিয়ে রাখতে পারতো ওকে না?
এই সভ্যতা শুধু বিজয়ের স্লোগান চায়,
কিন্তু ভালোবাসাহীন বিজয় মানে মৃত্যুই তো হায়।
সুতরাং ভালোবাসো— সময় দাও, স্পর্শ দাও,
এই সাফল্য নয়, হৃদয়ই সবচেয়ে বড় দাও।