অর্থনৈতিক দাসত্ব ও ঋণচক্র

অর্থনৈতিক দাসত্ব ও ঋণচক্র

অর্থনৈতিক দাসত্ব ও ঋণচক্র

 অর্থনৈতিক দাসত্ব ও ঋণচক্র

ঋণ শোধে ঘাম যায়, তবু সুদের নেই অন্ত,
ঋণদাতা হাসে, কৃষকের মুখে জ্বলে কণ্টক।
IMF বলে— "নিয়ন্ত্রণ করো ব্যয়,"
কিন্তু পেট তো চায় ভাত, বাচ্চা চায় একটু দয়।
অর্থনৈতিক “সহযোগিতা” মানে কাগজের দাসত্ব,
যেখানে দেশ দাঁড়ায় মাথা নিচু, মর্যাদা নষ্ট।
ঋণের নামে হারায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান,
উন্নয়ন হয় পোস্টারে, বাস্তবে ভয় আর ক্ষয়দান।
ব্রিজ হয়, রাস্তা হয়— তাতে লাভ কার?
যে গ্রামবাসী বিক্রি করে গরু, তার ভাগ কয়বার?
কর্পোরেট আসে— “আমরা সাহায্য করতে চাই,”
কিন্তু জমি চলে যায়, জীবন পড়ে কাঁদে ভাই।
এই দাসত্ব অদৃশ্য, তবু চিরস্থায়ী,
যেখানে ঋণ পায় নেতা, কিন্তু ভোগে প্রজার গাই।
ঋণের ফাঁদে আটকে যায় প্রজন্ম,
তাদের কাঁধেই থাকে মুনাফার সেতুবন্ধন।
তাই কবি বলে— উন্নয়ন হোক মানবিক,
নয়তো এই উন্নতি হোক মৃত্যুতে গাণিতিক।
অর্থ নয়, অধিকার হোক উন্নয়নের মাপকাঠি,
তবেই জাতি গড়বে আলোয়, নয় ঋণের গাঢ় গাঁথি।