শরণার্থী শিশুদের সীমান্ত পেরোনোর ভয়

শরণার্থী শিশুদের সীমান্ত পেরোনোর ভয়

শরণার্থী শিশুদের সীমান্ত পেরোনোর ভয়

 শরণার্থী শিশুদের সীমান্ত পেরোনোর ভয়

ছেলেটি হাতে খেলনা নয়, হাতে গুলির ক্ষত,
সীমান্ত পেরোয়— পেছনে ধ্বংস, সামনে অনিশ্চিত যত।
“তুমি কোথা থেকে এসেছো?”— প্রশ্ন তাকে খোঁচায়,
সে ভাবে, “আমি কি শুধু শরণার্থী?”— বুকের রক্তে জ্বলে বাঁচায়।
জার্মানি, পোল্যান্ড, ইউএস— সবাই দেয় দেয়াল,
তবু শিশুটি দেখে একটাই স্বপ্ন— নিরাপদ কাল।
ভিসা পায় না, খাবার পায় না, তবু হাসে মা,
কারণ তার শিশুটি এখনো বেঁচে— মরেনি পাথর পা।
নৌকায় জন্ম নেয় কিছু জীবন— বেঁচে থাকার সংগ্রামে,
তাদের কান্না কখনো ছুঁয়েও যায় না রাষ্ট্রের দামে।
শরণার্থী মানেই কি বোঝা? নয় কি এক প্রাণ?
এদেরও তো আছে গল্প, ভালোবাসা আর ঘরের টান।
শিবিরে ঘুম আসে না, স্কুলে যায় না কেউ,
তবু তারা শেখে— কিভাবে মানুষ বাঁচে ভাঙা কেমু।
একটি পাসপোর্ট তাদের জীবনকে বিভক্ত করে,
যেখানে জন্মভূমিই হয় শত্রু, আর আশ্রয় মানে দূরে।
এই শিশুরা একদিন বড় হবে ইতিহাসে,
তাদের হৃদয়ে লেখা থাকবে ক্ষোভ, আশ্রয়হীন ভাষায়।
তাই বলি— দেওয়াল নয়, দরজা খুলুন একটু,
এই পৃথিবীটা হোক সবার, নয় কেবল সীমান্তযুক্ত।