উদ্বাস্তু

উদ্বাস্তু

উদ্বাস্তু

উদ্বাস্তু

ঘর নেই, ঠিকানা নেই, নেই কোনো রাষ্ট্রের ছায়া,
উদ্বাস্তু হয়ে ঘোরে মানুষ, খুঁজে মাটির মায়া।
শিশু ঘুমোয় খোলা মাঠে, হাত ভরসার খোঁজে,
আকাশ দেখে ভাবে সে: মায়ের কোলে ফিরবে কবে?
চোখে শুষ্ক মরুভূমি, হৃদয়ে সমুদ্রের ঢেউ,
যতদূর দৃষ্টি যায়, কেবল শূন্যতার খেলা।
মাটির চেয়ে সস্তা এখন মানুষের জীবন,
পাসপোর্টবিহীন মানুষ যেন ধূলোর সমান গন।
সীমানা রক্ত খায়, কাঁটাতারে কণ্ঠ থামে,
মানবতা কাঁদে চুপচাপ, কেউ সে কান্না না শোনে।
শিবিরে জেগে থাকে রাত, স্বপ্ন তাড়ায়, ঘুম ভাঙে,
বিপন্ন এক মানবকূল ভাগ্যে মৃতপ্রায় ঢুকে।
নৌকায় ভেসে যায় লাশ, পত্রিকা দেয় সংখ্যা,
তবে সংখ্যা নয় তো তারা—তাদের ছিলো আশা।
একদিন কোথাও একটি শিশু প্রশ্ন করবেই:
“আমার জন্ম কি কেবলই আশ্রয়হীনতায়?”