ধ্বংসের পূর্বে মানবজাতি

ধ্বংসের পূর্বে মানবজাতি

ধ্বংসের পূর্বে মানবজাতি

ধ্বংসের পূর্বে মানবজাতি


দিগন্তে আগুন জ্বলে, জল আজ কাঁদে ছাইয়ের মাঝে,
উত্তরে যুদ্ধ ছড়ায়, দক্ষিণে উদ্বাস্তু হাঁটে সাজে।
শিশুর চোখে জমে ওঠে প্রশ্ন: “এ কি আমাদের দেশ?”
উত্তরে আসে না কিছু, কেবল ব্যর্থ নীরব নিষ্ক্রিয় রেষ।

বাতাসে মিশেছে বিষ, প্লাস্টিকে ঢেকে গেছে বৃষ্টি,
সমুদ্রের হৃদয়ে গেঁথে গেছে সভ্যতার নিঃশ্বাস চিৎ।
জলবায়ুর দরবারে বিকোয় জীবন, কেনা হয় মৃত্যু,
তবু সভা ঘরে শব্দ বাজে, নীরবে হাসে বৈঠকি শত্রু।

নেতার মুখে অধিকার, পেছনে গোপন মিসাইল হাসে,
ড্রোনের ডানায় শান্তির নাম, গন্তব্যে লাশের বাসে।
এক শিশু থামে কাঁটাতারে, খোঁজে তার শৈশব–স্বত্ব,
জাতিসংঘ নীরব শ্রোতা, মানুষ ভুলে গেছে মানবত্ব।

মহাকাশে পৌঁছে যাই, হৃদয়ে আলো পৌঁছায় না,
বুদ্ধির সিংহাসনে বিবেক আজ মৃতপ্রায়, কাঁদে না।
প্রযুক্তি জানে শুনতে, তবু বোঝে না চোখের কান্না,
ডেটার নিচে চাপা পড়ে যায় মানুষের মমতাধ্বনি–গান।

তবুও রয়ে যায় কিছু, যেটুকু এখনো নিঃশেষ নয়,
একটি মায়ের প্রার্থনা, এক শিশুর ভোরের আশ্রয়।
মানবতার পতাকা ছেঁড়া, তবুও বাতাসে উড়ে,
যদি জাগি আমরা সবাই, এই ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে।