জলবায়ু উদ্বাস্তুর কান্না

জলবায়ু উদ্বাস্তুর কান্না

জলবায়ু উদ্বাস্তুর কান্না

জলবায়ু উদ্বাস্তুর কান্না

সাইক্লোনে ঘর গেছে, এবার শহরের পথে,
কিন্তু ঢাকার বুকে নেই কারো জন্য ঠাঁই কোথে?
জন্ম কৃষিক্ষেত্রে, মৃত্যু শহরের ফুটপাতে,
জলবায়ুর এই জ্বালা ক’জন বোঝে অন্তরাতে?

উঠে আসে প্রশ্ন— “এই শহর কার?”
যার ঘর হারায় সে কি তবে নেই রাষ্ট্রের ভার?
“উন্নয়ন” ছুঁয়ে গেল, কিন্তু কেড়ে নিলো বাঁচা,
চাকরি দিল না, দিল শুধু ক্ষোভ আর লাঞ্ছনা।

শত শহর ভেসে যাবে, হাজার নদী খাবে,
তবু প্লাস্টিক ভাসে বিশ্বব্যবসার স্রোতে।
এই উদ্বাস্তুরা হিংস্র নয়, ওরা হাহাকার,
তাদের চোখে লেখা থাকে বেঁচে থাকার ভার।

শুধু ত্রাণ নয়, চাই সম্মান আর জমি,
জলবায়ু বদল মানেই খালি দাঁত নয়, ভাঙা কমি।
“ক্লাইমেট অ্যাকশন” লিখে হয় বিজ্ঞাপন পোস্টার,
কিন্তু বাস্তবে মানুষ দাঁড়ায় ধ্বংসের ধারে খোলা দর।

ঘরহীন মানেই চোর নয়, ভিখারি নয় সে,
তাকে দাও সম্মান— সেই তো সময়ের কণ্ঠে।
জলবায়ুর উদ্বাস্তু— এ কেবল উপাধি নয়,
এরা এক একটি দলিল— সভ্যতার ভুল সংশয়।